জাকসু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরুর দাবিতে শনিবার (২৯ জুন) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অবস্থানের কথা জানান পাঁচটি ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্কসবাদী), জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট এবং বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) সম্মিলিতভাবে ওই সংবাদ সম্মেলন করে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকালে ওই পাঁচ সংগঠনের চাপের মুখে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন এবং নভেম্বরে নির্বাচনের আশ্বাস দেন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পাপ্পু বলেন, মাননীয় উপাচার্যের ঘোষণাকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। সুদীর্ঘ ছাত্র আন্দোলনের ফলাফল হিসেবে এ ঘোষণা এসেছে। কিন্তু এর আগেও বারংবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সকল ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করে জাকসু’র গঠনতন্ত্র সংশোধন, ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করতে হবে।’
তিনি বলেন, এবার জাকসু বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে উপাচার্যের উপর বিশ্বাস হারিয়ে এই প্রশাসনকে প্রত্যাখান করতে বাধ্য হব আমরা।
আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তুতি কমিটির সহায়তায় সকল ছাত্র সংগঠন, প্রক্টরিয়াল বডি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে জাকসু’র পরিবেশ সৃষ্টিতে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক শাকিল-উজ-জামান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার, ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) সভাপতি মাহাথির মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।