ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টায় প্রশাসন ভবনের সামনের চত্বর থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে এক শোক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শোক র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস.এম আব্দুল লতিফ ছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, হল প্রভোস্টবৃন্দ, সভাপতিবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও অফিস প্রধানসহ সকল পর্যায়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
প্রশাসন ভবনের সামনের চত্বরে র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী উপস্থিত ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ এবং বিপক্ষ উভয় শক্তিকেই চিনতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা তৈরির কারিগর হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে সোনার মানুষ হিসেবে তোমাদের গড়ে উঠতে হবে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের যারা বিরোধী শক্তি, তাদের ঘৃণা করতে হবে।’
বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, ‘আমাদেরকে একাত্তরের পরাজিত ঘাতক চক্রের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।’
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভার:) এস এম আব্দুল লতিফ। সভাপতিত্ব করেন জেল হত্যা দিবস ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন কমিটি ২০১৯-এর আহ্বায়ক ছাত্র-উপদেষ্টা ও প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন। আলোচনা সভা শেষে চার জাতীয় নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি সঞ্চালনা করেন তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক রাজিবুল ইসলাম।