মোবাইল ফোন পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা

করোনাভাইরাসের সংকটকালীন পরিস্থিতিতে অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে ও ক্লাসে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদেরকে মোবাইল ডিভাইস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করে পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে শাবি উপাচার্য বলেন, মোবাইল ডিভাইস দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের একটি তালিকা তৈরি করে পাঠানো বিষয়ে আমাদেরকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা সেটা পাঠিয়ে দেব। আসলে এ বিষয়ে অনেক আগে থেকেই সরকারের সাথে কথা বলছে ইউজিসি। শুধু আমরা নয় বরং সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি)
‘কারা পাবে এ ডিভাইস?’ এমন প্রশ্নের জবাবে শাবি উপাচার্য বলেন, আসলে এটা নিয়ে কোনও নির্ধারিত মানদণ্ড নেই। যাদের আসলেই ডিভাইসের প্রয়োজন, তাদেরকেই এ ডিভাইস দেওয়া হবে। যাদের কেনার সামর্থ্য নেই কিংবা সত্যিকার অর্থে যাদের প্রয়োজন তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদের তালিকা আমাদেরকে দিতে বলেছে ইউজিসি।
‘সত্যিকার অর্থে কাদের প্রয়োজন তা কিভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে?’ এমন প্রশ্নের জবাবে শাবি উপাচার্য বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক বিভাগে দুইজন করে (একজন পুরুষ ও একজন মহিলা শিক্ষক) ছাত্র/ছাত্রী উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া আছে। তারা শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে তাদেরকে খুঁজে বের করবে। তাছাড়া সিআর (ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ) তাদের সহপাঠীদের বিষয়ে অবগত থাকে। তাদের সহায়তা আমরা নিয়েও কাজ করছি। একেবারে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে তো দেওয়া সম্ভব না তবে তাদেরকে যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চেষ্টা আমাদের থাকবে।
‘এ ডিভাইস বিনামূল্যে দেওয়া হবে কিনা/ কিংবা সম্পূর্ণভাবে এ ডিভাইস দিয়ে দেওয়া হবে নাকি ফেরত নেওয়া হবে?’ এমন প্রশ্নের জবাবে শাবি উপাচার্য বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বসবেন। এখানে আরও অন্যান্য মন্ত্রণালয় আছে যারা এ সাথে যুক্ত তাদের সাথে বসবেন এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে তালিকা নিয়ে কতগুলো সংখ্যা হয় তা নিয়ে কাজ  তারপর সিদ্ধান্ত হবে ডিভাইসটি শিক্ষার্থীদের একবারে দিয়ে দেওয়া হবে কিনা।