বিসিএস প্রস্তুতিতে মগ্ন তারা

মহামারির কারণে গত একবছর ধরে শিক্ষার্থীরা ঘরবন্দি। বন্ধ রয়েছে সকল চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা। হতাশায় ভুগছিলেন চাকরি প্রত্যাশীরা। বেকারত্বের মানসিক চাপ থেকে রেহাই পেতে আর দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের হাল ধরতে দরকার একটা চাকরি। আর দেশের বাজারে সবচেয়ে লোভনীয় চাকরি মানেই ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস কমিশন’ বা বিসিএস ক্যাডার।

গত একবছর ধরে হল ও লাইব্রেরি বন্ধ থাকার কারণে মন্থর হয়ে পড়েছিল চাকরির প্রস্তুতি। সম্প্রতি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষাসহ ৪১তম বিসিএসের তারিখ এগিয়ে আসায় ঢাকায় ফিরেছেন চাকরি প্রত্যাশীরা।ৎ

আর সেই প্রস্তুতি শানিয়ে নিতে ঢাবির বিজ্ঞান লাইব্রেরির চারপাশের বারান্দায় বসে পড়ছে, দেখা মেলে এমন একদল বিসিএস পরীক্ষার্থীর। নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত তারা। জানা যায়, নিজেদের অর্থায়নে চেয়ার টেবিল নিয়ে এসে পড়াশোনা করছেন তারা।

প্রস্তুতি নিতে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছে মতামত জানতে চাইলে তারা মিডিয়ার কাছে মত প্রকাশের অসম্মতি জানান।

করোনা মোকাবিলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ-এমতাবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় কিভাবে শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রক্টর একেএম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘করোনা সম্পর্কে আমরা সবাই সচেতন। আর সেজন্য আমরা যেন ক্যাম্পাসে এসে জড়ো না হই, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে আমরা যেন সমবেত না হই-আমি সেই পরামর্শ দিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া তারা সেখানে কিভাবে অবস্থান করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের জিজ্ঞেস করুন।’