ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু) ও স্পিরিট অব জুলাই যৌথভাবে আয়োজন করে কনসার্টের। সেই কনসার্টে বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাবির সেন্ট্রাল ফিল্ডে কনসার্টটির আয়োজন করা হয়। সেখানে টোবাকো কোম্পানি আবুল খায়ের একটি স্টল দেয়। সেই স্টল থেকেই বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণ করা হয়।
বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণের এই কাজ টোবাকো পণ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অ্যাক্ট ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) এর সেকশন ৫(বি) ও ৫(সি) লঙ্ঘন করেছে। আইন অনুযায়ী, কোনও টোবাকো কোম্পানি কোনও অনুষ্ঠানের স্পন্সর হলে তারা বিনামূল্যে তামাকজাত পণ্য বিতরণ করতে পারবে না। এই আইন অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ তিন মাসের জেল বা এক লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ঢাবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকে বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী সাকিব বিশ্বাস প্রশ্ন তুলে লেখেন, “ডাকসু কি শিক্ষার্থীদের মাদক গ্রহণে উৎসাহ দিচ্ছে।”
এদিকে, ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলি ইবনে মোহাম্মদ কনসার্টে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালান। তবে, শিক্ষার্থীরা ব্যঙ্গাত্মক পাল্টা স্লোগানের মাধ্যমে তার বিভিন্ন স্লোগানের জবাব দেয়।
সিগারেট বিতরণ নিয়ে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুকের নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট দিয়েছেন মোসাদ্দেক। কনসার্টের অব্যবস্থাপনা ও সিগারেট বিতরণ নিয়ে অনুশোচনা করেন তিনি। কনসার্টের স্পন্সরের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি ছিলেন না বলে জানান। তবে, কনসার্টে শিক্ষার্থীদের আনন্দ উল্লাস করেছেন বলে দাবি করেন মোসাদ্দেক।
খোলা জায়গায় ধূমপান করা আইনত অপরাধ। এমনটা করলে জরিমানার বিধান রয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর খোলা স্থানে ধূমপান করার জরিমানা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে দুই হাজার টাকা করেছে সরকার।