জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্মেলনে স্বীকৃতি পাচ্ছেন ঢাবির ৬ গবেষক

জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সের (আইএএসডিএস) ছয় গবেষক আন্তর্জাতিক ‘অ্যাওয়ার্ড ও গ্রান্ট’-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন শিক্ষক, একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং চারজন মাস্টার্স শিক্ষার্থী বা সদ্য গ্র্যাজুয়েট।

‘অ্যাওয়ার্ড ও গ্রান্ট’-এর জন্য নির্বাচিত, ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সের (আইএএসডিএস) অধ্যাপক ড. মো. হাসিনুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘আমরা এই সম্মেলনে অংশ নিতে জার্মানি যাচ্ছি। সেখানে আমাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপনের কথা রয়েছে।’ সারা বিশ্ব থেকে এ ধরনের অনেক গবেষণাপত্রই আয়োজকদের কাছে জমা পড়েছিল, সেখান থেকে তাদের গবেষণাপত্রটি নির্বাচিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর ক্লিনিক্যাল বায়োস্ট্যাটিস্টিকস (আইএসসিবি) তাদের এ স্বীকৃতি দিয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর জার্মানির ফ্রাইবুর্গে অনুষ্ঠিত হবে আইএসসিবি–জিএমডিএস ২০২৬ সম্মেলন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি এই কনফারেন্সে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইএসসিবির স্টুডেন্ট কনফারেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন আইএএসডিএসের পিএইচডি শিক্ষার্থী নাসরিন সুলতানা। যার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাসিনুর রহমান খান। নাসরিনের গবেষণা পুনরাবৃত্তি ও চূড়ান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ পরিসংখ্যান মডেল এবং সেটির কার্যকর হিসাব পদ্ধতি নিয়ে।

এ ছাড়া কনফারেন্স অ্যাটেনডেন্স সাপোর্ট প্রোগ্রামের (ক্যাসপ) আওতায় নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. হাসিনুর রহমান খান, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. হাসিবুল ইসলাম জিতু, মালিহা বিনতে আলাউদ্দিন ও মোসা. মাহারুন নাহার জুই।

তাদের গবেষণাগুলোতে বাংলাদেশের ছোট এলাকার পরিসংখ্যান, গুরুত্বপূর্ণ ভেরিয়েবল নির্বাচন, স্থানভিত্তিক প্রভাব, কারণ-ফলাফল বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন ঝুঁকি নির্ণয়ের পরিসংখ্যান পদ্ধতি নিয়ে কাজ করা হয়েছে।

আইএসসিবি–জিএমডিএস ২০২৬ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য—‘বিগ ডেটা, স্মল ডেটা, ইউর ডেটা—বায়োমেডিক্যাল এআইয়ের যুগে পরিবর্তন’। সম্মেলনে বায়োস্ট্যাটিস্টিকস, এপিডেমিওলজি, মেডিক্যাল ইনফরমেটিকস, ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বায়োমেডিক্যাল গবেষণার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

আইএএসডিএস জানিয়েছে, ছয় গবেষকের এই স্বীকৃতি উচ্চমানের পরিসংখ্যান গবেষণা, নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারকে তুলে ধরে।