বুধবার নয়া পল্টনে দলের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর গুণধর পুত্রের গুণকীর্তন দেশে বিদেশে যেভাবে প্রচার হচ্ছে, তাতে মনে হয় আওয়ামী তরী আর বেশিদিন পানিতে ভাসিয়ে রাখা যাবে না। রাজকোষের রিজার্ভের চুরি হওয়া টাকা কিভাবে পাচার হলো, তা কিন্তু জনগণের জানতে বাকি নেই।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে রিজভী মঙ্গলবার কুমিল্লা আদালতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী অনুরাগী এক সংগঠনের নেতার দায়ের করা কোটি টাকার মানহানির মামলার সমালোচনা করেন। এই মামলাকে তিনি মিথ্যা মামলা বলে অভিহিত করেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি অ্যাকাউন্টেই তিনশো মিলিয়ন ডলার তথা পঁচিশশো কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এটি সন্দেহজনক লেনদেন। এই টাকার উৎস কী তা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জানতে চেয়েছেন। এই ঘটনা শুধু খালেদা জিয়াই নয়, বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের মানুষের মনে প্রশ্ন- জয়ের এই টাকার উৎস কী? এখন এই ঘটনার ব্যাখা ও নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার দায়িত্ব জয়ের, খালেদা জিয়ার নয়।'
রিজভী দাবি করেন, ‘অবস্থা দেখে মনে হয়- চুরির মালের কথা প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় জয় সাহেব অস্থির হয়ে পড়েছেন। তার স্বভাব জমিদারের বেপরোয়া তনয়ের মতো। মানুষকে অবজ্ঞা করাই হচ্ছে তার স্বভাব। তিনি যদি কখনও রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পান, তাহলে ভদ্রলোকদের দেশে বাস করাই কঠিন হয়ে পড়বে।’
আরও পড়ুন:
/এসটিএস/এফএস/এপিএইচ/