বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির নেতারা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে রাশেদ খান মেনন বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। ২০৩৫ সালের পর কোনওক্রমেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী সংকুলান হবে না। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অারও পড়তে পারেন: রিজার্ভ চুরি তদন্তে ইন্টারপোলের ছয় সদস্য ঢাকায়
কমিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাস্তবায়ন পদ্মার দক্ষিণ প্রান্তে চর জানাযাতে অথবা বাঘিয়ার বিলে দ্রুত শুরু করার দাবি জানিয়েছেন। কমিটির নেতারা মন্ত্রীকে বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যতগুলো আন্তর্জাতিক রুট রয়েছে তার সবগুলো দক্ষিণাঞ্চলের ওপর দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। দূরত্বের বিবেচনায়ও আন্তর্জাতিক বিমানসমূহের অবতরণের জন্য পদ্মার দক্ষিণ প্রান্ত উপযুক্ত স্থান। এখানে বিমানবন্দর স্থাপিত হলে এর পাশে এক লাখ একর খাস জমিতে একটি স্যাটেলাইট সিটি নির্মাণ সম্ভব হবে এবং এর দক্ষিণ-পূর্ব পাশে নরিয়ায় একটি আন্তর্জাতিক নৌ-কন্টেইনার টার্মিনাল স্থাপন করা যাবে।
অারও পড়তে পারেন: যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মেজর (অব.)জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সদস্য সচিব শেখ ওয়াসিউজ্জামান লেনিন, কার্যকরী সভাপতি খোকা সিকদার, মেজর ইয়াদ আলী ফকির, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, খন্দকার সাহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
/সিএ/এমএসএম/