আগামী শনিবার (৭ মে) চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন হবে। এজন্য বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শেষ হচ্ছে নির্বাচনি প্রচার।
এ ধাপে ৭২৫টি ইউপিতে ভোট হবে। তবে আইনি জটিলতা কিংবা ভিন্ন কোনও কারণে এ সংখ্যা দু-একটি কমতেও পারে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি পৌঁছে গেছে। শুক্রবার প্রতিটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে সেগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
নির্বাচনি এলাকায় বুধবার মধ্যরাত থেকেই মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বৃহস্পতিবার থেকেই মাঠে থাকবেন। এসময় নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল-স্ট্রাইকিং ফোর্সের নেতৃত্বে থাকবেন।
আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধী বাবার হয়ে ছেলের লড়াই
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ ধাপে চেয়ারম্যান পদে তিন হাজার ২৪৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে ১৬টি রাজনৈতিক দলের এক হাজার ৭২৩ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এক হাজার ৫২২ জন।
চতুর্থ ধাপে ৭২৫টি ইউপির মধ্যে ৭২৪ ইউপিতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রয়েছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট ইউপিতে আওয়ামী লীগের কোনও প্রার্থী নেই। এদিকে বিএনপির প্রার্থী নেই ১০৬ ইউপিতে। এ ধাপে ৩৩ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। যাদের সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের।
নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বাংলা ট্রিবউনকে বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করি এবার আমরা অন্যান্য বারের তুলনায় ভালো নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দিতে পারবো।’
আগামী ২৮ মে ও ৪ জুন বাকি দুই ধাপের ভোট হওয়ার কথা।
/ইএইচএস/এসটি/