অনলাইন নিউজ পেপার ‘বাংলা ট্রিবিউন’-এ গত ২ মে সোমবার ‘গাড়ি নাই, ব্যাংক হিসাব নাই, নগদ টাকা নাই- টিআইবি’র ট্রাস্টি এবং শীর্ষ কর্মকর্তারা যেভাবে সম্পদের হিসাব দিয়েছেন’- শিরোনামে প্রকাশিত খবরের ব্যাখ্যায় এসব তথ্য জানিয়েছে টিআইবি।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক রিজওয়ান-উল-আলম এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘রেজিস্টার অব ইন্টারেস্ট’-এর বাইরে সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং নির্বাহী পরিচালক ও উপ-নির্বাহী পরিচালসহ সব কর্মীর আয়-ব্যয় ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য নিয়ম মেনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে করদাতা হিসেবে নিয়মিত জমা দেওয়া হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য:
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান গত ১৯ এপ্রিল ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ট্রাস্টিদের সব সম্পদের হিসাব টিআইবি’র ওয়েবসাইটে আছে। তার কথা অনুযায়ী টিআইবি’র ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায়- ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং নির্বাহী পরিচালক ও উপ-নির্বাহী পরিচালকের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব নেই। আর টিআইবি-ও তা স্বীকার করে নিয়েছে নিজস্ব পদ্ধতির কথা বলে।
বাংলা ট্রিবিউিন-এর প্রতিবেদনে, টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বর্তমান সদস্য এম হাফিজউদ্দিন খান-এর বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তিনিও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়ম মেনে সম্পদের হিসাব দেওয়ার কথা বলেছেন এবং টিআইবি’র ওয়েবসাইটে দেওয়া তার সম্পদের তথ্যকে আংশিক বলে জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে রাজনীতিবিদসহ যারা নির্বাচনে অংশ নেন তাদের সম্পদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ আট ধরনের তথ্য জমা দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সম্পদের হিসাবের মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর, ব্যাংক হিসাব, নগদ টাকা ও আয়সহ সব ধরনের তথ্য হলফনামা আকারে থাকে।
আর সাধারণ যেসব নাগরিক কর দিচ্ছেন তাদেরও স্থাবর-অস্থাবর, ব্যাংক হিসাব, নগদ টাকা, আয়সহ সব ধরনের করযোগ্য এবং করযোগ্য নয় এমন সম্পদের হিসাব দিতে হয়।
মন্ত্রী-এমপিদের সম্পদের হিসাবের কথা টিআইবি বলে আসছে অনেক দিন ধরেই। মন্ত্রী-এমপিরা তো এনবিআর-এ সম্পদের হিসাব দেন। টিআইবি’র দাবি মতে নতুন করে তারা কোন প্রক্রিয়ায় সম্পদের হিসাব দেবেন? টিআইবি’র মতো সংক্ষিপ্ত করে?
/এএইচ/এইচইউআর /
পড়তে পারেন এ সংক্রান্ত আরও খবর: গাড়ি নেই, ব্যাংক হিসাব নেই, নগদ টাকা নেই টিআইবির ট্রাস্টি ও শীর্ষ কর্মকর্তারা যেভাবে সম্পদের হিসাব দিয়েছেন