শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ মনোনয়ন বোর্ডের এক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠত হতে যাওয়া ৬ ষ্ঠ ধাপে ৭২৬ টি ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন,বিএনপি কখনও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে নাই। তারা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে না। জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী নয় বলেই এই ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতা হরণ করা হয়েছে, সেটার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে।
তিনি বলেন, যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়, তারা সব সময় জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে সেটা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। এই দেশে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকুক আর বাইরেই থাকুক, বার বার জনগণের ওপর আক্রমণ করেছে।
আরও পড়ুন:
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তৃণমূল থেকে প্রস্তাবিত নামই অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এখানে আমরা বিভিন্ন সার্ভে রিপোর্ট দেখেছি। মাঠ পর্যায়ে অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। আমাদের কাছে যে অভিযোগগুলো এসেছে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়েছি।
এ সময় কয়েকটি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থিতা বাতিলের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী বাছাই করা একটা কঠিন কাজ। তৃণমূল পর্যায় থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মীর তালিকা থেকে প্রার্থী বাছাই করা হয়। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় এই কাজটি করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি,যাচাই-বাছাই করে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন দিতে।
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক সময়ের হত্যাকাণ্ড ও বিশেষ একটি দেশের ভূমিকা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে হানিফ বলেন, এই সরকারকে উৎখাত করার জন্য বাংলাদেশে একাত্তরে পরাজিত শক্তি বহুবার চেষ্টা করেছে। বহু তৎপরতা চালিয়েছে। জ্বালাও- পোড়াও করে ব্যর্থ হওয়ার পরে বিদেশি নাগরিক হত্যা করেছে। এতেও ব্যর্থ হয়ে এখন গুপ্তহত্যা চালিয়ে সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়। গুপ্তহত্যা চালিয়ে সরকারকে যে উৎখাত করা যাবে না, সেটা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। কারণ, এই সরকারের ভিত হচ্ছে জনগণ। শতকরা ৮০ ভাগ জনগণ এই সরকারের পক্ষে আছে।
সকল ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান বলেও মন্তব্য করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।
পিএইচসি/এপিএইচ/