সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বার্নিকাট বলেন, অবশ্যই তিন সরকার- বাংলাদেশ, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র উগ্রবাদকে প্রতিহত করার জন্য একমত। এ বিষয়ে আমরা সবাই একমত।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি নিশা দেশাই বিসওয়াল গত সপ্তাহে তার সফরের সময় ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বৈঠক করে একে অপরের মতামত জানতে চেয়েছেন। এর আগে তাদের দেখা হয়নি এবং এখানে আসার পরে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ হয়।
বার্নিকাট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য। আমার ধারণা সব গণতান্ত্রিক দেশ এমনকি যে দেশে গণতন্ত্র নেই সে দেশও শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়, কারণ অরাজকতা খুব খারাপ বিষয়।
রাষ্ট্রদূত জানান, এ সপ্তাহের শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সিপ্যাল ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি উইলিয়াম টড একটি প্রতিনিধিদলসহ ঢাকায় আসবেন। তিনি সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে কীভাবে সহায়তা করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করবেন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহে নিশা দেশাই স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে এক বৈঠকের পর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহাতীতভাবে দাবি করে, আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন যেমন আল কায়েদা বা ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশের জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে অথবা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করছে।
আরও পড়ুন: জঙ্গি সংগঠনগুলোর ঐক্যের ডাক আল কায়েদার, আইএসকে প্রত্যাখ্যান
এসএসজেড/এজে/