৪ নির্বাচনি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ ইসির

ইসিশনিবার অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে চার নির্বাচনি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
চার কর্মকর্তা হলেন- চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যুগিরহাট হোসেনিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোবারক হোসেন ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার তাজুল ইসলাম, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়নের আমতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হাবিবুর রহমান এবং চান্দিনা উপজেলার জোয়াগ ইউনিয়নের নোয়াকাঁও দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. হুমায়ুন কবির।
এছাড়া যুগিরহাট হোসেনিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশের নায়েক আবু সাইদকে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরহাদ খান বলেন, স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালার ৭০, ৭৭, ৭৯ ও ৮০ ধারা অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। এই প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জাল ভোট দিতে সহযোগিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউপির চান্দলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ঢুকে সিল মারার ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এদিকে ভোটের দিন আটক করা এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে ছেড়ে দিতে কুমিল্লা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

শনিবারের নির্বাচনে কেন্দ্র দখল, ভোট গ্রহণের আগের রাতে কেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ৩৮টি ইউনিয়নের ৫১টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে কমিশন সচিবালয়ে অভিযোগ আছে, বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাই জাল ভোটের যজ্ঞে শামিল হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে কড়া সমালোচনা করে চিঠি

ইএইচএস/এজে