সেই নিজামী ইস্যু নিয়ে আবারও প্রতিবাদ জানাতেই তাকে বৃহস্পতিবার ডেকে পাঠানো হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছে।
গত ৫ মে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায়ের রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তান উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করে। এছাড়া নিজামীর ফাঁসির পর এর নিন্দা ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এছাড়া পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ বুধবার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে নিজামির ফাঁসির জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী রানা তানভির হোসেন এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।
সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে বিচারিক প্রক্রিয়াকে আইন, বিচার ও মানবাধিকার পরিপন্থি হিসাবে অভিহিত করা হয়।
এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় রেলমন্ত্রী খাজা সাদ রফিক বলেন, বাংলাদেশে বিরোধী রাজনীতিবিদদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ফলে পাকিস্তানিদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে। যাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের আইন ও সংবিধান ভঙ্গ করেননি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি ইসলামিক দেশগুলোর সহযোগিতায় আরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান।
এছাড়া এ প্রন্তাবে সাহিবজাদা তারিকুল্লাহ, শাইস্তা পারভিজ এবং শাহ মাহমুদ কোরেশি বক্তব্য দেন। তারা বলেন, এ মৃত্যুদণ্ড ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির পরিপন্থি এবং তারা বিষয়টি জাতিসংঘে উপস্থাপনের আহবান জানান। এছাড়া ওআইসিতে বিষয়টি আলোচনার দাবি জানান তারা।
/এমও/এজে