দ্য বাংলা ট্যুরস লিমিটেডের পরিচালক মাসুদ হোসেইন বলেন, ‘প্রকৃতি নির্ভর পর্যটনকে এগিয়ে নিতে অনুদান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত। পর্যটনকে এগিয়ে নিতে হলে দেশের ইমেজকেও এগিয়ে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, যারা বাংলাদেশের পর্যটনকে এগিয়ে নেবেন এবং কাজ করবেন তাদের জন্য সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে পর্যটন খাতে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া উচিত।
এটিএবি (এটাব)-এর সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে সিলেটের বিমানবন্দর শুধু কাগজ-কলমেই আন্তর্জাতিক। কিন্তু সিলেট একটি পর্যটন এলাকা হলেও বিমানবন্দরটি তেমন আধুনিক নয়।’
পিএটিএ-এর সাধারণ সম্পাদক তৈফিক রহমান বলেন, ‘২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হলো। কিন্তু সে অনুযায়ী কোনও অর্থ বরাদ্দ নেই। তাহলে কীভাবে পর্যটন বর্ষ পালিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘সমউপলব্ধি না হলে পর্যটনকে সেক্টরকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। তাই এ ক্ষেত্রে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
অর্থবরাদ্দ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সামনে পর্যটন নিয়ে ২৪৮ কোটি টাকার বাজেট আছে। তবে এ বিষয়ে আরও ১০০ কোটি টাকা বাড়তে পারে।’
যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পর্যটনের যে নির্দিষ্ট স্থান আছে সেগুলোকে চিহ্নিত করে করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে আমরা সবাইকে নিয়ে বসবো।’ দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন সংস্থাগুলো পর্যটনকে খুব একটা এগিয়ে নিতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যাংক ঋণ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ব্যাংক ঋণের বিষয়ে আমরা ব্যাংক কর্তৃকপক্ষের সঙ্গে কথা বলবো। আর এ ক্ষেত্রে আপনাদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে।’
সংগঠনের সভাপতি নাদীরা কিরণের সভাপতিত্বে আরও আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) এহসানুল গনি, বিটিবি-এর সিইও আকটাউরজ্জামান খান কবীর প্রমুখ।
/এসআইএস/এএ/