সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুপুর আড়াইটা থেকে পৌনে চারটা পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে বার্নিকাট বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদসহ সব ধরনের অপরাধ মোকাবেলায় দুই দেশ একসঙ্গে কিভাবে কাজ করতে পারে এবং বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে উইলিয়াম ই টড এর সঙ্গে আসা ১৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, উইলিয়াম ই টড এর সঙ্গে থাকা ১৫ সদস্যের একটি দল প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশে এসেছেন। আমরা কিভাবে এই সহযোগিতা নিতে পারি সেটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশেও একের পর এক ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে আমরা আক্রান্ত হচ্ছি। তবে আমরা তাদের হাতে আর আক্রান্ত হতে চাই না। এদের আক্রমণ আগে থেকেই শনাক্ত করে প্রতিহত করতে চাই। এজন্য দলটির কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশে বড় ধরনের আক্রমণ হচ্ছে না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষ জঙ্গিবাদ পছন্দ করে না। এদেশের মানুষ ধর্মনিরপেক্ষ ও সবাই মিলে সমানভাবে চলায় বিশ্বাস করে। এসব আক্রমণ ষড়যন্ত্রের অংশ।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলো বিএনপি
বাংলাদেশে বিদেশিদের নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি বলেন, কূটনৈতিক পাড়ায় সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি টহল ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
/এনএস/এএইচ/