সোমবার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা-১) মোহাম্মদ আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ জানানো হয়।
সম্প্রতি উচ্চ আদালতে বহিষ্কৃতদের দায়ের করা এক রিট আবেদনের রায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ এপ্রিল বহিষ্কৃতরা শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের কাছে আবেদন করেন।
আবেদন গৃহীত হওয়ার পর এই আদেশ জারি করা হয়। মোহাম্মদ আলী বলেন, আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয়েছে।
এর আগে গত বছর ২৩ মে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ছাত্রী লাঞ্ছনা, ছিনতাই ও মারধরের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য নিশাত ইমতিয়াজ বিজয় (জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ, ৪২ ব্যাচ), শহীদ সালাম-বরকত হল শাখা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক নাফিজ ইমতিয়াজ (রসায়ন বিভাগ, ৪২ ব্যাচ), ছাত্রলীগ কর্মী আবদুর রহমান ইফতি ও নুরুল কবির (নৃবিজ্ঞান, ৪৩ ব্যাচ) এবং রাকীব হাসানকে (ভূগোল ও পরিবেশ, ৪৩ ব্যাচ) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার (আইন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত বছর নভেম্বরে বহিষ্কারাদেশ চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করেন পাঁচ শিক্ষার্থী। শুনানি শেষে গত ২০ মার্চ বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ বহিষ্কারাদেশকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেন।’
ওই পাঁচজনকে সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ থেকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে জাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেল বলেন, ‘ছাত্রলীগ তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করবে কিনা তা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
/এনএস/এএইচ/
আরও খবর পড়ুন-