জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বুধবার এ পরামর্শ দেএয়া হয়।
মন্ত্রণালয় গৃহীত নীতিমালার আলোকে ২০১৬ সালে প্রতিটি হজ এজেন্সি থেকে ৫শ’ জনের বেশি হাজি ওমরা পালনের জন্য সৌদি আরবে পাঠাতে পারবে মর্মে ঢাকার সৌদি দূতাবাসকে চিঠি দেওয়ার পরও আবার কেন কয়েকটি এজেন্সিকে ৫শ’ জনের অতিরিক্ত হাজি ওমরা পালনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয় সভায়। এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে যাতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা না হয় সেব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।
সভায় বেসরকারি হজ যাত্রীদের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশনকৃতরা হজে না গেলে শূন্য স্থানে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়ে ও তাদের সুপারিশের আলোকে হজ যাত্রীদের কোটা পূরণ করার সুপারিশ করা হয়।
সভায় কালো তালিকাভুক্ত ও অভিযুক্ত ১০৪টি হজ এজেন্সি নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা, মোঃ আসলামুল হক, এ.কে.এম.এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন, সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, মোঃ মকবুল হোসেন, মোহাম্মদ আমির হোসেন এবং দিলারা বেগম উপস্থিত ছিলেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ আব্দুল জলিলসহ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।
আরও পড়ুন-
নারীর ক্ষমতায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে
/এফএস/