হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধারে সার্কভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক হেল্প লাইন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই হেল্প লাইনের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার করা সহজ হবে।
বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্লান ইন্টারনেশনাল বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ইন্টারনেশনাল মিসিং চিল্ড্রেন ডে উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশু পাচার শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন। সরকার শিশু অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছে। ইতোমধ্যে সরকার মানব পাচার আইন পাস করেছে। শিশু পাচার প্রতিরোধে আঞ্চলিক সহযোগিতা খুবই জরুরি। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে শিশু পাচার প্রতিরোধে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সেমিনার বক্তারা বলেন, বছরে সারা বিশ্বে প্রায় ৮ মিলিয়ন শিশু হারিয়ে যায়। তার মধ্যে ৮০ হাজার যুক্তরাষ্ট্রে, ২ লাখ দক্ষিণ এশিয়ায়, ১ লাখ ভারতে এবং ২০১০-২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২১৯০ শিশু হারিয়ে গেছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মাল্টি-সেক্টরাল প্রোগ্রাম শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মো. রাহমাতুল মোনায়েম, প্লান ইন্টারনেশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সেনায়েট গেব্রেজিয়াবার, সেন্টার ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইসরাত শামীম প্রমুখ।
সভায় নাছিমা বেগম এনডিসি বলেন, শিশু পাচার একটি ভয়াবহ অপরাধ। এর প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয় জরুরি। সরকার এই সমস্যা সমাধানে সবার সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
আলোচনাকালে ড. আবুল হোসেন বলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সামগ্রিক সেবা প্রদানের জন্য ‘১০৯২১’ এই হেল্প লাইনটি চালু করা হয়েছে। এই হেল্প লাইনটি আঞ্চলিকভাবে সংযুক্ত করাও জরুরি।
আরও পড়ুন: পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের জন্য বরাদ্দ থাকছে না
/ইউআই/এজে