বিমান চলাচলে নিরাপত্তার জন্য আন্তঃদেশীয় ফোরাম গঠন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সবাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি আন্তঃদেশীয় ফোরাম গঠন করেছে বাংলাদেশ। ফোরামের সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো-যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত,জাপান ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।
বুধবার বিকালে এ দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশ তার বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে চায়।
আরও পড়তে পারেন: অস্বাভাবিক চেহারা নিয়ে বেড়ে উঠছে বায়োজিদ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন,বৈঠকে যোগ দেওয়া প্রতিটি দেশের বেসামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে স্বার্থ রয়েছে। বাংলাদেশ ওই দেশগুলোর কাছ থেকে কারিগরি,পরামর্শ বা অবকাঠামোগত সহযোগিতা পেতে পারে বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের মধ্যে খুব ভালো বৈঠক হয়েছে। আমরা সবাই মিলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এক সঙ্গে কাজ করবো।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর পররাষ্ট্র, বাণিজ্য ও শ্রম সচিব এবং পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূত নিয়ে বাংলাদেশের শ্রমাধিকার চর্চার জন্য একটি ফোরাম তৈরি করা হয়।
একই কাঠামোতে বেসামরিক বিমান ফোরামটি গঠিত হয়েছে। এখানেও পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান সচিব এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাপান ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন রাষ্ট্রদূতরা এর সদস্য।

গত বছরের অক্টোবরে রাশিয়ার একটি বিমান মিশরে বোমা বিস্ফোরণে ধ্বংস হবার পরে বিশ্বজুড়ে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এর ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্যের একটি দল বাংলাদেশের বিমানবন্দর পরিদর্শন করে একাধিক মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রদান করে। এক পর্যায়ে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কার্গো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে সরকার ব্রিটিশ কোম্পানি- রেডলাইনকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব দেয়। 
অারও পড়তে পারেন: ছাগলনাইয়া পৌরসভা নির্বাচন: ফাঁকা কেন্দ্রে বাক্সভর্তি ভোট!

এছাড়া,যুক্তরাষ্ট্রের একটি দল এ বছরের প্রথমদিকে বিমানবন্দর পরিদর্শন করে। কানাডা ও আরব আমিরাতের পৃথক প্রতিনিধিদল শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে।

বিমানবন্দরের উন্নয়নে জাপানের একটি প্রকল্পও চলমান রয়েছে।

 /এমএসএম/