রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা মামলাটিতে দশদিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আসামিপক্ষে শুনানি করেন আসলাম চৌধুরীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।
গত ২৪ মে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এর সঙ্গে সরকার উৎখাতে ষড়যন্ত্রের সন্দেহ মামলায় সাতদিনের রিমান্ড শেষে আসলাম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৬ মে আসলাম চৌধুরী এবং তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আসাদুজ্জামান মিয়ার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।
এরপর তাকে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া দুটি নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ দুই মামলায় আসলাম চৌধুরীকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে আগামী ৬ জুন।
সরকার উৎখাতে ষড়যন্ত্রের সন্দেহে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় বলা হয়, আসলাম চৌধুরী গত ৫ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ভারতে অবস্থানকালে বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাতের জন্য বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বহির্ভূত রাষ্ট্র ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্ট মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আসামিরা সরকারকে অবৈধভাবে উৎখাতের জন্য দেশে সন্ত্রাস, নাশকতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টির উদ্যোগ নেয় যা দেশের অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকিস্বরূপ এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।
আরও পড়ুন-
জঙ্গি অর্থায়নের কথা স্বীকার, সিঙ্গাপুরে দোষী সাব্যস্ত ৪ বাংলাদেশি
মামলায় আসক্ত মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর!
/ইউআই/এফএস/