আজ সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হাসপাতালে সেবার মান বৃদ্ধিতে করণীয় বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্বকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই আইন প্রণয়নের নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসময় বলেন, জনগণ যথাযথ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য মানসম্মত হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়। কিন্তু অনেকেই জানেন না কোন হাসপাতালের সেবা কেমন। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে এরকম একটি আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর পর্যাপ্ততা, যন্ত্রপাতি ও শয্যার মানসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতিসহ সার্বিক খুঁটিনাটি বিচার বিশ্লেষণ করে হাসপাতালের রেটিং জনগণকে তাদের পছন্দ নির্বাচনে সাহায্য করবে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর ফলে হাসপাতালগুলোর মধ্যে সেবার মান বাড়ানোর জন্য সুস্থ প্রতিযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি বড় জেলায় সরকারি হাসপাতালে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে এ কার্যক্রমে প্রয়োজনে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেওয়া হবে। এসময় তিনি সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ও মালায়েশিয়া সফরকালে সেদেশের হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মন্জুরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
/জেএ/এএইচ/
আরও খবর পড়ুন-