প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও একই দলে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকা ইত্যাদি কারণে কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।’
তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রতিটি উপজেলা ভোটগ্রহণের আগে-পরে মোট চারদিন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে ২০ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২১ জন সশস্ত্র সদস্য মোতায়েন ছিল। নির্বাচনে নারী ও সংখ্যালঘুরা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তৃতীয় ধাপের নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করে অধিকতর সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সরকারি দলের এম আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে আনিসুল হক বলেন, ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিভাগে অনেকে নিজের নাম, পিতা ও মাতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন এবং নিজের বয়েস ১০ থেকে ৩০ বছর পরিবর্তন করার আবেদন করেন। এসব কাজে প্রয়োজনীয় দলিলপত্রের প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে সরেজমিনে তদন্ত করতে হয়। অনেকে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে, অর্থাৎ অন্যের জমি কেনাবেচা, ভুয়া নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে, ভুয়া পাসপোর্ট তৈরি করতে, মোবাইল সিম কিনতে এবং ফৌজদারি মামলা হতে রেহাই পেতে জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রকৃত তথ্য পরিবর্তন করতে চান। এসব কারণে কমিশনকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হয় এবং আবেদনকারীদের সেবা দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়।’
আরও পড়ুন:
লাউয়াছড়া বনের ভেতর ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন
বরিশালে অস্বাভাবিক বজ্রপাতে কেটেছে আতঙ্কের রাত
/ইএইচএস/এসটি/