বুধবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকারের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে সম্মান পাচ্ছি সেটা আমার নয়, বাংলাদেশের জনগণের সম্মান। এজন্য জনগণের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে, তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন বলেই আমি আজকে এই কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।’
জাপান সফরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, ‘জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ এমন একটি বিষয় যেটা নিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক আলোচনার বাইরেও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স ও কঠোর অবস্থানের কথা বিশ্ব নেতারা জানেন। তারা বাংলাদেশের এ অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ডে আমাদের সহায়তার কথা বলেছি।’
আফম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মতো দক্ষিণ এশিয়ায়ও বিস্তৃতি লাভ করেছে যা আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য হুমকিস্বরূপ। এই বাস্তবতায় নিরাপত্তা সহযোগিতার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়াকে একটি শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ অঞ্চলের দেশগুলো একত্রে কাজ করতে পারে।’
আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আরেক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করলে এবং অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করলেই নারীর ক্ষমতায়ন হবে।’
তিনি বলেন, মাইক্রো ক্রেডিট নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই উন্নয়নে কোনও কাজ করতে পারেন না। ঋণ নেন আর প্রতি সপ্তাহে শোধ করেন। আমাদের সরকারের নেওয়া প্রকল্প একটি বাড়ি একটি খামার দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করছে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষকে যেনো খাদ্য সংকটে পড়তে না হয়, সেজন্য আমরা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি।’
/ইএইচএস/এসটি/এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
জাসদ ভুল করে থাকলে ইতিহাস তার বিচার করবে: ইনু
সেই বাবুলের স্ত্রীও মারা গেলেন
জামায়াত নিষিদ্ধের আগে ৪ বিষয়ে ‘গ্রাউন্ড ওয়ার্ক’