রাজধানীর কাপ্তানবাজারে কয়েকটি মাংসের দোকানের ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লার কারসাজি হাতে-নাতে ধরেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওই দোকানিরা দীর্ঘদিন ডিজিটাল দাঁড়িপাল্লায় কারসাজির মাধ্যমে ক্রেতাদের ঠকিয়ে আসছেন। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পান না।
বুধবার মেয়র সাঈদ খোকন পরিদর্শনে গিয়ে পরীক্ষা করে এই কারসাজি ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে নগদ অর্থ জরিমানা করা হয় অভিযুক্ত দোকান মালিকদের।
বুধবার বেলা সোয়া একটায় কাপ্তানবাজার পরিদর্শনে যান মেয়র। তিনি বিভিন্ন দোকান মালিক ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। কয়েকটি দোকানে ঢুকে বিভিন্ন পণ্যও পরীক্ষা করেন। এ সময় বাদশা মিয়া মাংস বিতান, মায়ের দোয়া মাংস বিতান ও কামরুল মাংস বিতান নামের দোকানে দাঁড়িপাল্লায় কারসাজির প্রমাণ পান। মেয়রের সঙ্গে থাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মো. নাজমুস সোয়েব তিন দোকান মালিককে ১০ হাজার টাকা করে ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এরপর কাপ্তানবাজারের রওশন হোটেল পরিদর্শন করেন মেয়র। নোংরা পরিবেশ ও মূল্য তালিকা না থাকায় হোটেল মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ম্যাজিস্ট্রেট। এরপর ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় শিশু খাদ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সালমা স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
বাজার পরিদর্শন শেষে মেয়র বলেন, ‘সমস্যা হলো, আমরা যখন বাজার পরিদর্শনে আসি তখন ক্রেতাদের পক্ষ থেকে তেমন অভিযোগ পাওয়া যায় না। অথচ ক্রেতারা অভিযোগ করলে আমরা আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘ওজনে কম দেওয়া, মানহীন পণ্য বিক্রি, দাম বেশি রাখাসহ প্রতারণামূলক কার্যক্রম যাতে কমে আসে সেজন্যই আমাদের এ অভিযান। এটা অব্যাহত থাকবে।’
বাজারদর সম্পর্কিত যে কোনও অভিযোগ ৯৫৫৬০১৪ নম্বরে ফোন করে সিটি করপোরেশনকে জানাতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান মেয়র।
ওএফ/এজে