হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর আহ্বায়ক নূর হোসাইন কাসেমী, সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী এবং যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী এক যৌথ বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
আরও পড়তে পারেন: জঙ্গি উত্থানের সূতিকাগার উত্তরাঞ্চল!
বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, যারা হিন্দুদের নিরাপত্তার জন্য ভারতের হস্তক্ষেপ চাচ্ছেন তারাই বাংলাদেশে ভারতের আগ্রাসনকে উস্কে দেওয়ার অসৎ উদ্দেশে ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনের পুরোহিতকে হত্যার হুমকি দিয়ে তার দায় মুসলমানদের ঘাড়ে বর্তাতে চাচ্ছেন।ধর্মগুরুকে তার ধর্মপ্রচার বন্ধ না করলে কুপিয়ে হত্যা করা হবে বলে যে হুমকি দেওয়া হয়েছে,আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। ইসলাম অন্য সকল ধর্মের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপে বিশ্বাসী নয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দুদের ধর্মীয় কার্যক্রম চলে আসছে। কিন্তু গত্ বৃহস্পতিবার পুরোহিতকে হিন্দু ধর্ম প্রচার না করার যে হুমকি দেওয়া হয়েছে তার মাত্র ২/৪ দিন পূর্বে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মহাসচিব রানা দাস গুপ্ত ও অভিনেতা পিযুষ বন্দোপাধ্যায় বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মোদীর হস্তক্ষেপ কামনা করে রাষ্ট্রদ্রোহীতা করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সুতরাং এটা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে, তাদের এ হস্তক্ষেপ কামনার অর্থ বাংলাদেশে ভারতের আগ্রাসন চালানো। এমন পরিস্থিতিতে ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মোদীর হস্তক্ষেপের পরিবেশ তৈরির চক্রান্ত চলছে বলে আমরা মনে করি। রানা দাশ গুপ্ত’রা দীর্ঘদিন থেকেই বাংলাদেশে ভারতীয় আগ্রাসনের জন্য উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে এটা বলা অপ্রাসঙ্গিক নয় যে, উগ্রহিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকেই রামকৃষ্ণ মিশনের পুরোহিতকে হত্যার হুমকি দিয়ে ভারতীয় আগ্রাসনকে তারা উস্কে দিতে চাচ্ছে। তাই রামকৃষ্ণ মিশনের ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকী দেওয়ার পেছনে যে যুগসূত্র রয়েছে, তা খুঁজে বের করে তাদেরকে অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
আরও পড়তে পারেন: স্বাক্ষর করেছেন ১০ হাজার নারী আলেমও
/সিএ/এমএসএম/