মন্ত্রী আরও জানান, ভবিষ্যৎ চাহিদার বিবেচনায় রেলওয়ের মাধ্যমে মাছ, মাংস, শাক-সবজি পরিবহনের জন্য রেফ্রিজারেটর বগী কেনার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিল উত্থাপিত হয়।
নুরুল ইসলাম ওমরের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী জানান, বর্তমানে রেলওয়ের এক হাজার ৪৭১টি যাত্রীবাহী বগি রয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় এই সংখ্যা যথেষ্ট নয়। চাহিদা পূরণের জন্য পর্যায়ক্রমে নতুন বগি সংগ্রহের বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে।
এই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে রেলওয়ের ২৮২টি লোকোমোটিভ ইঞ্জিন রয়েছে। এর মধ্যে ১৮৬টি মিটার গেজ ও ৯৬টি ব্রডগেজ।
বেগম পিনু খানের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে রেলওয়ের ভূমির পরিমাণ ৬১ হাজার ৮২০ দশমিক ৯৭ একর। রেলভূমির মধ্যে ৪ হাজার ৩৯১ দশমিক ৩৯ একর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবৈধ দখলে রয়েছে।
আরও পড়ুন-
রিমান্ডে থাকা ফাইজুল্লাহ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ১ হাজার ৫২৪ ওলামা
/ইএইচএস/এফএস/