জাবি থেকে দিনে-দুপুরে তরুণী অপহৃত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

রবিবার দুপুর ১২টা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ক্লাবের সামনের রাস্তা দিয়ে পশ্চিম দিকে এক তরুণী হাঁটছিলেন। সঙ্গে ছিল এক যুবক। হঠাৎ একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো চ-১৩৯১০৩) তরুণীর গতিরোধ করে। তার সঙ্গে থাকা যুবকের সহায়তায় মাইক্রোবাসে থাকা দুর্বৃত্তরা জোরপূর্বক তরুণীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দ্রুতগতিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে উঠে যায়। রাস্তায় পড়ে থাকল তরুণীর পাসপোর্ট সাইজের একটি ছবি, একটি স্যান্ডেল ও একটি কানের দুল।

তরুণীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার এমনই বর্ণনা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল চৌধুরী সজল।

অপহৃত তরুণী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ৩৬তম আবর্তনের সাবেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ইসলামনগর এলাকায় তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।  কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে তার পরিবার পরিচয় নিশ্চিত করেছে। 

ঘটনার পর আশুলিয়া থানার এসআই মোরশেদ আলী মোল্লা ক্যাম্পাসে এসে উদ্ধারকৃত জিনিসগুলো থানায় নিয়ে যান। পরে পুলিশ বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করে। 

অপহৃত ছাত্রীর ভাই সাইমুন ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের পরিবারের সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। কাউকে সন্দেহও করতে পারছি না। আপুর সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল কিনা জানি না। আমরা আশুলিয়া থানার দ্বারস্থ হয়েছিলাম। কাল (সোমবার) থানায় মামলা করা হবে।’ 

এ বিষয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল হাসান বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমি ঘটনাস্থলে যাই। তৎক্ষণাৎ আশুলিয়া ও সাভার থানাকে বিষয়টি জানাই।’

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহসিনুল কাদির বলেন, ‘আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে। গাড়ির নম্বর দিয়ে ট্র্যাকিংয়ের জন্য আগামীকাল বিআরটিএ’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।’

আরও পড়ুন: রবিনের রিমান্ড শেষ, এখনও অনিশ্চয়তায় পুলিশ

/জেবি/এসটি/