তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা বিশ্বের সর্বত্র প্রভাবশালী, তারা বিপুল অর্থ-বিত্তের মালিক, অবৈধ অস্ত্রধারী বা তার পৃষ্ঠপোষক এবং আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রক হয়ে থাকে। এরা মাদক ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে থাকে। এদের মোকাবিলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে আধুনিক প্রযুক্তিতে আপডেট রাখার কোনও বিকল্প নেই।
মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে জানিয়ে ওই সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি থানায় গঠিত কমিউনিটি পুলিশের কোনও কমিটিতে স্থানীয় সন্ত্রাসী, চিহ্নিত অপরাধী ও আশ্রয় প্রশ্রয় দানকারীর অর্ন্তভূক্তির তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপরও এ ধরনের কোনও লোক যাতে কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত হতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার দলের বজলুল হক হারুনের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রতিবেশি দেশ মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় বিদেশি ট্রলার, নৌকা ও মাঝিদের বাংলাদেশের জলসীমা ও সুন্দরবনের শেষ সীমানার ভেতরে প্রবেশ করে মাছ শিকারের কোনও সুযোগ নেই। বাংলাদেশের জলসীমানায় বিদেশি জেলেদের যেকোনও ধরনের অবৈধ তৎপরতা রোধে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী তৎপর রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এসব প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।
আরও পড়ুন: দেশে অবৈধ বিদেশি নাগরিক ৯১০ জন: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
/ইএইচএস/এমও/