ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের মানুষকে শান্তি ও নিরাপদে রাখার জন্যে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। সারা দেশের মানুষ এবার শান্তিতে ঈদ উদযাপন করতে পারায় সরকার স্বস্তি বোধ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরে মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। নির্বিঘ্নেই তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত সুরক্ষা এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে রামগড় থেকে উখিয়া পর্যন্ত সড়কপথ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এ সড়কপথের নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।
বান্দরবান জেলাসদরকে বন্যামুক্ত রাখতে বান্দরবান-কেরানিহাট সড়কের ৩টি পয়েন্টের ১৪শ’ মিটার সড়কপথ উঁচুকরণ ও ২২কি.মি. সড়কপথ ১৮ থেকে ২৪ ফুট পর্যন্ত প্রশস্তকরণ এবং জেলা শহরকে বন্যামুক্তকরণের জন্য ১৮৫ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দ ধরা হয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী শুস্ক মৌসুম থেকেই এসব কাজ শুরু হবে।
এ সময় পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি, জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক এবং পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সেতুমন্ত্রী জেলা সদরে প্রবেশের সময় ঈদের ২ দিন আগে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া বাইতুল ইজ্জত, আমতলী ও বাজালিয়া এলাকার সড়কপথগুলো পরিদর্শন করেন। সূত্র: বাসস
/এমএনএইচ/