বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের পেজ দেখে আগ্রহী হয়ে কেউ কেউ সংযুক্ত হন এবং পরে বিভ্রান্ত হন। এমনই একজনের সঙ্গে কথা হয় বাংলা ট্রিবিউনের। তিনি জানান, শুরুতে জঙ্গি বিষয়টা কী আর ওই পেজে কী ধরনের কথোপকথন হয়, তা জানার আগ্রহ থেকেই তার যুক্ত হওয়া। এরপর তিনি ধীরে ধীরে তাদের সব পোস্ট দেখা শুরু করেন। কখনও লাইক বা শেয়ার দেননি। কিন্তু তাদের নতুন নতুন পোস্ট দেখার আগ্রহ তৈরি হয়। পরে তাদের কথাবার্তা সুবিধাজনক মনে না হওয়ায় তিনি সরে আসেন।
গুলশান হামলাকে ‘ন্যায্য’ দাবি করে ৬ জুলাই একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, গুলশানে যে বিদেশিদের হত্যা করা হয়েছে, তারা ‘হারবি কাফির’ বা ‘যুদ্ধরত কাফির সম্প্রদায়’। এদেরকে হত্যা করা শরিয়ত সম্মত। কারণ এরা মুসলিম জাতির সঙ্গে যুদ্ধরত জাতির সদস্য। আর যাদের সঙ্গে যুদ্ধ চলতেছে, তাদেরকে তো হত্যা করাই যাবে।
জঙ্গিবাদ নিয়ে গবেষণা করা নির্ঝর মজুমদার বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানের জন্য আরও একটি কৌশল কাজে লাগায় আইসিসের মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গিরা, তা হলো টুইটারে বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ, যেগুলো খুঁজে বের করা বেশ কঠিন। ফলে শক্ত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই পেজগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরাসরি জঙ্গিবাদ এবং চরমপন্থায় উস্কানি দিয়ে থাকে এবং কিছু ক্ষেত্রে চরম সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক লেখালেখি করে। এই পেজগুলো সংখ্যায় প্রচুর এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগুলো সরকারের মনিটরিংয়ের বাইরে থাকে বলেই আমার ধারণা।’
- জঙ্গিবাদবিরোধী ‘ফর্মুলা’ নিয়ে আসছেন খালেদা জিয়া!
- জোড়া সন্ত্রাসী ঘটনায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- জঙ্গি হামলাকারীরা নিঃসন্দেহে দোজখের আগুনে পুড়বে: প্রধানমন্ত্রী
/এজে/