অশ্বারোহী সৈনিক পরিবেশিষ্টত ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়িতে করে বাংলাদেশের হাইকমিশনার পাকিস্তানি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় প্রাঙ্গণ আইয়ান-ই-সদর -এ পৌঁছালে প্রেসিডেন্টের গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যরা তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত বাজানোর মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। হাইকমিশনার গার্ড পরিদর্শন করেন।
প্রেজেন্টেশন হলে হাইকমিশনার তার পরিচয়পত্র পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কাছে পেশ করেন। এরপর তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও অর্জন সম্পর্কে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ করার লক্ষ্যে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ লক্ষ্যে তিনি প্রেসিডেন্টের সহায়তা কামনা করেন।
হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে প্রেসিডেন্ট মামুনুন হোসেন আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তাঁর মেয়াদকালে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।
পাকিস্তানি প্রেসিডন্টে বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা প্রকাশ করেন। তিনি যে কোনও মতভিন্নতা দূর করে দুই দেশের মধ্যে বেশি করে আলাপ-আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা প্রসারের লক্ষ্যে আরও বেশি প্রচেষ্টা গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। এ প্রেক্ষিতে তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদল বিনিময় এবং বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের পরামর্শ দেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে পাকিস্তানে তার দায়িত্ব নির্বিঘ্নে পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন-
রক্তে ভেজা নিসে রক্তের জন্যই হাহাকার
বিএনপিকে জামায়াত ছাড়ার পরামর্শ বিশিষ্টজনদের
/এসএসজেড/এফএস/