এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মতিউর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার সেলফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তিনি বিদেশে থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তার একটি ঘনিষ্টসূত্র বাংলা ট্রিবিউনকে জানায়, মিরপুর সাংবাদিক পল্লীতে বরাদ্দ পাওয়া প্লটটি ১৯৯৮ সালে বিক্রি করতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন মতিউর রহমান চৌধুরী। ওই বিজ্ঞাপন দেখেই প্লট কিনতে আগ্রহী হন কামারুজ্জামান।
সূত্রের দাবি, ওই সময় কামারুজ্জামান দৈনিক সংগ্রামে কর্মরত ছিলেন এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ছিলেন। এ কারণেই তার কাছে প্লটটি বিক্রি করেন মতিউর রহমান চৌধুরী।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ কামারুজ্জামানকে পাঁচ কাঠার প্লট দেয় মিরপুর সাংবাদিক কলোনিতে। সেখানে তিনিও ছয়তলা ভবন নির্মাণ করেছেন মিশন ডেভেলপারকে দিয়ে।’
হাসান ইকবাল বলেন, আমি মন্ত্রীর এমন অসৎ ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা এ প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে প্রতিবাদ জানাচ্ছি বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষের কাছে, তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে বা অন্যপক্ষের সঙ্গে কথা না বলে এমন বিভ্রান্তিকর একটি রিপোর্ট পরিবেশনের জন্য। আমরা মনে করি, মন্ত্রীর মিথ্যা বক্তব্য সংবলিত এই রিপোর্ট আমাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। আমরা এর প্রতিকার চাই।
- গুলশান হামলার সব তথ্য আগেই আমাদের কাছে ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- গুলশান হামলাকারীদের আরেক আস্তানা শেওড়াপাড়ায়!
/এসটিএস/এমএনএইচ/আপ-এজে/