শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিল দুটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিল দুটি সংসদে উত্থাপন করার পর পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
পাস হওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, প্রকৌশল প্রযুক্তি এবং উচ্চতর প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত যেমন, ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল টেকনোলজি, বায়োটেকনোলিজি, ন্যানো টেকনোলজি, অ্যাডভ্যান্সড টেকনোলজি, ইনস্ট্রাকশনাল টেকনোলজি, রোবোটিকস, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা, ই-কমার্স, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে স্নাতক-স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান, গবেষণা করবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে খ্যাতিসম্পন্ন ও প্রশাসনিক কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তি উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাবেন বলে বলা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চ শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রম অগ্রগতিকল্পে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটরের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ স্থাপন করা প্রয়োজন ও যুক্তিযুক্ত।
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বিলে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও দর্শন, সাহিত্য ও সঙ্গীত, এবং বিশ্ব সংস্কৃতি বিষয়ে অধ্যায়ন ও গবেষণা, কলা, সঙ্গীত ও নৃত্য, চারুকলা, নাট্যকলা, সামাজিক বিজ্ঞান, কৃষি ও সমবায়, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান, গবেষণা করবে।
বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে চারজন রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ৮ মে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম সার্ধশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ ইশতেহারে বাংলাদেশে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কথা বলা হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বাবার জমিদারির দেখাশোনা করতে ১৮৯০ সালে শাহজাদপুরে আসেন। সে সময় শাহজাদপুর কাচারি বাড়িতেই তিনি থাকতেন।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/