ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় ৩৪ জন আসামির আইনজীবীরা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতি আবেদন নাকচ করে দেন ও সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল মান্নান খান কাঠগড়ায় দাঁড়ানো আসামিদের অভিযোগ পড়ে শোনানোর সময় তারা সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।
মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, সোহেল রানাসহ ৭ আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন। ৭ জন পলাতক আছেন। আর সোহেল রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা বেগমসহ ২৭ জন জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন মারা যান। আহত হন হাজারেরও বেশি।
ভবন ধসে প্রাণহানির এ ঘটনায় সে সময় 'অবহেলাজনিত মৃত্যুর' অভিযোগে একটি মামলা করেন সাভার থানার এসআই ওয়ালী আশরাফ। এছাড়া ইমারত বিধি মেনে রানা প্লাজা নির্মাণ করা হয়নি- এমন অভিযোগে রানাসহ ১৩ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় আরেকটি মামলা করেন রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল আহমেদ।
হত্যা ও ইমারত নির্মাণ আইনের মামলা দু’টির তদন্ত করে গত বছরের ১ জুন পৃথক দু’টি চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সিনিয়র এএসপি বিজয় কৃষ্ণ কর।
হত্যা মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা ও তার বাবা-মাসহ ৪১ জনকে ও ইমারত নির্মাণ আইনের মামলায় ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম।
আরও পড়ুন-
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আবারও সবাইকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
জামালপুরের ৩ রাজাকারের ফাঁসি, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
/এসআইটি/এফএস/