মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) এই চিঠি পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি কেপিআই জরিপ কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও ৩৫ জন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের অনুরোধ করা হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে ১২ জন পুলিশ সদস্য বহাল করা হয়। বাকি ২৩ জন এখনও বহাল করা হয়নি। দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ২৩ জন পুলিশ সদস্যকে স্থায়ী বহাল করা খুবই জরুরি।
এদিকে দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রধান কার্যালয়সহ সকল অফিসে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি প্রবেশপথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কড়া প্রহরা নিশ্চিত করছে। এ ছাড়া যেকোনও ধরনের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সকলকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন কাজে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আগত অতিথিদের গাড়ি নিয়মিত তল্লাশি করা হবে। প্রধান কার্যালয়সহ সকল অফিসের সম্মেলন কক্ষে নজরদারি বাড়ানো হবে। এছাড়া নিরাপত্তা যন্ত্র তথা সিসিটিভি, স্ক্যানিং মেশিন, আর্চওয়ে ও হ্যান্ড হেল্ড সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ও অরনেট সিকিউরিটি গার্ডদের কাজ তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিভাগের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রায়ই বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে সভা ও সেমিনার হয়ে থাকে। সভায় আগত অতিথিদের জন্য প্রবেশ পাস সংগ্রহের জন্য আয়োজক বিভাগের অন্তত একজন কর্মকর্তাকে উপস্থিত থাকতে হবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশে নির্ধারিত পাস সংগ্রহের পদ্ধতি ভালোভাবে অনুসরণ করতে হবে। কর্মকর্তাদের মৌখিক অনুরোধে কাউকে পাস দেওয়া হবে না।
/এনএস/