র্যাবের দেওয়া নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকায় ৮৯ নম্বরে থাকা রাশেদ গাজী কবে নিখোঁজ হয়েছেন জানতে চাইলে তার বাবা আব্বাস গাজী বলেন, ‘আমার ছেলে জেলখানায় আছে।’
কিভাবে তিনি জেলে গেলেন- এমন প্রশ্নে তিনি জানান, গত ২১ জুন থেকে ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। ২৫ জুন তিনি এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে গত ১৪ জুলাই রাশেদকে র্যাব হেফাজতে নেওয়া হয় বলে শুনতে পান। পরের দিন ১৫ তারিখ তাকে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, পুলিশ বলেছে তার ছেলেকে তল্লাশি করে নাকি তার ব্যাগে ৯টা হাত বোমা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিনি বা তার ছেলে কিছু বলতে পারেন না বলে দাবি করেন।
রাশেদকে রাজধানীর উত্তরা থেকে আটক করা হয় বলে তিনি জানান।
১৫ তারিখ আদালতে নেওয়ার পর কী করে নিখোঁজ তালিকায় নাম এলো সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, নিখোঁজ তালিকার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তিনি শুধু জিডি করেছিলেন।
সারা দেশে সম্প্রতি নিখোঁজ ২৬২ জনের একটি তালিকা দেয় র্যাব। গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলায় ঘরছাড়া তরুণদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশের পর নিখোঁজদের অনুসন্ধানে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে তাদের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ১৭ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। র্যাবের অনলাইন মিডিয়া সেলের ফেইসবুক পাতায় মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
র্যাবের দেওয়া ওই তালিকায় ২১৫ নম্বর ক্রমিকে থাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. রহমতুল্লাহ রাজশাহীর কারাগারে রয়েছেন বলে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
- জঙ্গি হামলার গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
- দুই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে বলতে চলে যান প্রকৌশলী রাহাত
/ইউআই/এজে/