বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইনে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা সহায়তার বিষয়টি না থাকায় একটি সমন্বিত বৃত্তি প্রদান নীতিমালা প্রণয়নের জন্য আইনে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা সহায়তার বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা প্রয়োজন।
এতোদিন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত বৃত্তির ব্যবস্থা ছিল। স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার জন্য আইনে কোনও বিধান ছিল না।
প্রস্তাবিত আইনে নতুন ধারা যুক্ত করে স্নাতকোত্তর, এমফিল, পিএইচডি কোর্সের শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি দেওয়ার বিধান করা হয়েছে।
এছাড়া, আগের আইনের অধীনে সরকারকে বিধি এবং প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া থাকলেও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা ছিল না। বিলে সরকারকে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়তে পারেন: মুস্তাফিজের দিকে নজর রাখছে বিসিবি
/ইএইচএস/ এমএসএম /