তবে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া ওই এমপিকে ভর্ৎসনার সুরে বলেন, আপনি কোন ধারায় কথা বললেন? এটা তো পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। আপনি যদি এ বিষয়ে একটি নোটিশ দিতেন সে ক্ষেত্রে আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারতাম। কিন্তু এখন আপনি যা বললেন, সে বিষয়ে আমি কোনও সিদ্ধান্ত দিতে পারব না।
অনির্ধারিত আলোচনায় জিয়া উদ্দিন বলেন, গত ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালিত হয়েছে। সেদিন কর্তৃপক্ষ একটি স্মরণিকা বের করেছে। সেখানে লেখা হয়েছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ ‘বঙ্গবন্ধু’ লেখেনি। এটি অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট। তারা কী এটা লিখতে পারে? আরও লেখা হয়েছে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র হিসেবে এটা আমার গায়ে লেগেছে। স্মরনিকায় ভাইস চ্যান্সেলর সই করেছেন। এটা নিয়ে ছাত্ররা বিক্ষোভ করেছে।
জিয়া উদ্দিন আরও বলেন, ওই ঘটনায় রেজিস্ট্রারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য রেজিস্ট্রার একা দায়ী নন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতায় আছে। যিনি বঙ্গবন্ধুকে স্বীকার করেন না, তিনি ওই পদে কীভাবে থাকেন? অবিলম্বে তার পদত্যাগ চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতির কাছে আমি উপাচার্যকে বরখাস্তের দাবি করছি।
আরও পড়তে পারেন: জামায়াতের সঙ্গে বেহেশতেও যাবেন না: ফখরুল-নোমানকে কাদের সিদ্দিকী
ইএইচএস/ এমএসএম /