প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্য দ্রুত পেতে হবে। জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার ক্ষেত্রে ডিসিদের সামাজিক মাধ্যমগুলোয় সক্রিয় থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে এই ঐক্যের পক্ষে প্রচারণা চালাতে হবে।
এ সময় জেলা প্রশাসকেরা গ্রামাঞ্চলে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানোর অনুরোধ জানান। তাদের অনুরোধে প্রতিমন্ত্রী জানান, তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসকদের পরামর্শ ছিল। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তেই এসব করা হবে। থানা ও গ্রাম পর্যায়ে বর্তমানে ৫ এমবিপিএস স্পিড আছে। প্রশাসকদের কাছ থেকে স্পিড বাড়ানোর লিখিত আবেদন পেলে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানো হবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী জেলা পর্যায়ে পাঠানো আইসিটি যন্ত্রপাতির দিকে নজর রাখার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেকোনও সময় ভিডিও কনফারেন্স করতে পারেন। তখন যেন আইসিটির যন্ত্রপাতির কোনও সমস্যা না দেখা দেয়। কোনও প্রয়োজনের সময় যেন যন্ত্রপাতি নষ্ট না থাকে, সে বিষয়টির দিকে নজর রাখতেও জোর দেন পলক।
এ সময় ডিসিরা সাইবার সিকিউরিটি বাড়ানো, ই-শপ, ই-কমার্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত লোকবলের বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের স্থানীয় এজেন্ট বাছাই করার পরামর্শ দেন।
/এসআই/এমও/এমএনএইচ/