বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ডিসি সম্মেলন ২০১৬’-এর তৃতীয় দিনে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলায় তাভেল্লা সিজার ও ওসি কুনিও হত্যার পর আমরা ভাবছিলাম দেশে পর্যটকের সংখ্যা কমবে। কিন্তু কমেনি। এছাড়া ২০১৪ সালে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে আগের বছরের তুলনায় ১০ হাজার পর্যটক বেশি এসেছিল।
তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন হোটেল-মোটেলের নিরাপত্তাও বাড়ানোর জন্য বলেছি।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, যেসব জেলায় বিমানবন্দর আছে, সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগে থেকেই জোরালো তবে আরও জোরদার করার কথা বলেছি। আমরা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করতে পারছি জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাস শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয় এটা বিশ্বব্যাপী সমস্যা। তবে এটা মোকাবিলা করতে সক্ষম বাংলাদেশ। ফলে, এখন আমাদের বিশ্বাস করে বিশ্ববাসী।
তাছাড়া বিদেশিদের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ট্যুরিস্ট পুলিশও কাজ করছে বলে জানান রাশেদ খান মেনন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এ বিমানবন্দর নির্মিত হলে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের এভিয়েশন যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলদেশ অন্যতম হাবে পরিণত হবে। এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজও অচিরেই শুরু হবে। ২০১৯ সালে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শেষ হলে বছরে এ বিমানবন্দর দিয়ে ২৪ মিলিয়ন যাত্রী আসা-যাওয়া করতে পারবেন বলেও জানান মন্ত্রী।
/এসআই/এসএনএইচ/এবি/