রবিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ডিএনএ পরীক্ষার পৃথক তিন আবেদনের পর্যবেক্ষণ শেষে অনুমতি প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেন এ তথ্য বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।
ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পৃথক তিনটি আবেদন করেন মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। এর আগে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন মিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সাজ্জাদুর রহমান।
আদালতে করা আবেদনগুলোর মধ্যে প্রথমটি ছিল রক্ত, মলমূত্র, অস্থিমজ্জা, গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করা।
এ আবেদনে বলা হয়, নিহত নয় জঙ্গি সেদিন কোনও মাদক, উত্তেজনা বা উন্মাদনা সৃষ্টিকারী ড্রাগ বা কোনও রাসায়নিক পদার্থ সেবন বা গ্রহণ করেছিলেন কিনা তা নিরীক্ষার জন্য ওই মরদেহগুলো থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে উপাত্ত সংগ্রহ করা প্রয়োজন। ওই উপাত্ত বা আলামত দেশে বা বিদেশে পাঠিয়ে মতামত নেওয়া যেতে পারে।
দ্বিতীয় আবেদনটি মৃত নয় জঙ্গির পরিচয় নিশ্চিত হতে তাদের বাবা-মা ও স্বজনদের সঙ্গে মেলানোর জন্য করা হয়।
পরের আবেদনটি চিফ ডিএনএ অ্যানালিস্ট ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরির করা। মালিবাগের সিআইডি কার্যালয়ে থেকে নিহত জঙ্গিদের প্রোফাইল সংরক্ষণের জন্য করা হয়েছিল।
/এসআইটি/এমও/এবি/