হ্যালো সিটি অ্যাপসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, অ্যাপসটি ওপেন হওয়ার পর গত ২৪ ঘন্টায় তারা ১২৭টি তথ্য পেয়েছেন। প্রথম তথ্যপ্রদানকারী একটি বাড়িতে থাকা ভাড়াটিয়াদের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। ওই বাড়িটি ঢাকাতেই। বাড়িটির ঠিকানা দিয়েছেন তথ্যপ্রদানকারী। এছাড়াও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম নিয়েও সমালোচনা করেছেন কেউ কেউ।
রবিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ‘হ্যালো সিটি’ অ্যাপসটির উদ্বোধন করেন। এরপর সেটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপসটি সহজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবে যে কেউ। চারটি বিভাগে বিভক্ত অ্যাপসটিতে পাঁচটি বিষয়ে তথ্য দেওয়া যাবে। এগুলো হলো- জঙ্গিবাদ বা উগ্রবাদ, সাইবারক্রাইম, বোমা-বিস্ফোরক-অস্ত্র-মাদক এবং আন্তদেশীয় অপরাধ বা জালিয়াতি। তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তি ইচ্ছা করলে তার পরিচয় গোপন করে এখানে তথ্য দিতে পারবেন। এছাড়াও পুলিশের তথ্য ও মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তির বিষয়েও তথ্য জানা যাবে এই অ্যাপসটিতে।
বোম ডিসপোজাল টিমের প্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. ছানোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অনেক গবেষণা করে এই অ্যাপসটি প্রস্তুত করা হয়েছে। তথ্য প্রদানকারী সহজেই এখানে তথ্য দিতে পারবেন। যেকোনও পরিস্থিতিতে যে কেউ তথ্য দিতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে অ্যাপসটির শুধু অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন প্রকাশ করা হচ্ছে। এক সপ্তাহ পরে উইন্ডোজ ভার্শন আসবে। এই অ্যাপসটির মাধ্যমে যে কেউই দেশ বা বিদেশ থেকে অপরাধের তথ্য জানাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তার পরিচয় বা মোবাইল নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। পরিচয় গোপন করেও তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে পারবেন।
এর আগে চলতি মাসেই রিপোর্ট টু র্যাব নামের একটি অ্যাপস প্রকাশ করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ওই অ্যাপসে অপরাধ সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য ছবিসহ র্যাবকে জানানো যায়। তবে অ্যাপসটিতে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় দিতে হয়।
আরও পড়ুন-
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
গুলশান হামলা: একমাস ধরে জঙ্গিদের লাশ মর্গে
/এআরআর/এফএস/