মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিয়াজুল হক এর আগে ২০১০ সাল থেকে ২০১৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৬ সালে সচিব হিসেবে অবসরে যাওয়া রিয়াজুল হক কয়েক বছর ধরে মানবাধিকার কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি। পরে তিনি আইন, লোকপ্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দেশি ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।
দশ বছর আগে অবসর নেওয়ার পর রিয়াজুল হক কিছু কাল বার কাউন্সিলের ‘লিগ্যাল এডুকেশন অ্যান্ড টেইনিং ইনস্টিটিউট’র নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর আসেন মানবাধিকার কমিশনে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়াজুল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারকের সমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য বাছাই কমিটির প্রধান হলেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। ওই কমিটির সুপারিশে সরকার কমিশন চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে।
/এসএনএইচ/এবি/