বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত তথ্যসমৃদ্ধ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের জন্য তিন ক্যাটাগরিতে জুলাই মাসে তিনজন প্রতিবেদক পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন, বিশেষ প্রতিনিধি ওমর ফারুক, সিনিয়র প্রতিবেদক নুরুজ্জামান লাবু ও যশোর প্রতিনিধি তৌহিদ-উজ-জামান।
কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, নির্বাচিত এই তিন সাংবাদিককে নগদ অর্থ ও প্রশংসাপত্র দেওয়া হবে। বাংলা ট্রিবিউন পরিবারের পক্ষ থেকে তাদেরকে অভিনন্দন।
পুরস্কারের জন্য তিন ক্যাটাগরিতে প্রতিবেদন নির্বাচন করা হয়। এগুলো হলো, সেরা প্রতিবেদন, ব্রেকিং রিপোর্ট এবং মফস্বলের সেরা প্রতিবেদন।
সেরা প্রতিবেদন ক্যাটাগরিতে ২২ জুলাই প্রকাশিত বিশেষ প্রতিনিধি ওমর ফারুকের মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিপুতিও পাওয়া যাচ্ছে না শীর্ষক প্রতিবেদনটি পুরস্কার পেয়েছে।
ব্রেকিং রিপোর্ট ক্যাটাগরিতে ২৮ জুলাই প্রকাশিত সিনিয়র রিপোর্টার নুরুজ্জামান লাবুর করা কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানা: নিহত হওয়ার আগের ছবি শিরোনামের প্রতিবেদনটি পুরস্কার পেয়েছে।
মফস্বলের সেরা রিপোর্ট ক্যাটাগরিতে ২৫ জুলাই প্রকাশিত যশোর প্রতিনিধি তৌহিদ-উজ-জামানের পাঠানো জঙ্গি তালিকায় নিজের নাম দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মুন্না শিরোনামের প্রতিবেদনটি পুরস্কার পেয়েছে।
কর্তৃপক্ষ গঠিত জুরি বোর্ড বিবেচনার জন্য এবার ১১টি প্রতিবেদন নির্বাচন করেন। এগুলোর মধ্যে থেকে তিনটি প্রতিবেদনকে সেরা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ভালো কাজের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি মাসে এ ধরনের পুরস্কার দিয়ে থাকে বাংলা ট্রিবিউন।
পুরস্কারের জন্য বিবেচিত অন্যান্য প্রতিবেদনগুলো হলো: জঙ্গিরা হামলার পর যে কৌশলে হাওয়া হয়ে যায় (সিনিয়র রিপোর্টার জামাল উদ্দিন), চাপাতি রাখার বিশেষ পোশাক (তাফসিলুল আজিজ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি), পিস টিভি-পিস স্কুলের বাংলাদেশি উদ্যোক্তা কাজী ইব্রাহিম গোয়েন্দা নজরদারিতে! (সিনিয়র রিপোর্টার সালমান তারেক শাকিল), চলছে ‘জংগীর সাথে কথোপকথন’ (সিনিয়র রিপোর্টার উদিসা ইসলাম), মুখের কথায় ৯ দিনের মেয়র! (বিশেষ প্রতিনিধি ওমর ফারুক), এক টাকায় ডিম চপ! (বিপুল সরকার সানি, দিনাজপুর), জঙ্গি হামলার ঝুঁকিমুক্ত নয় মসজিদ-মাদ্রাসা-দরগা (সালমান তারেক শাকিল) এবং নিখোঁজ ছেলেকে কারাগারে দেখে এলেন বাবা! (সিনিয়র রিপোর্টার উদিসা ইসলাম)।
/ওএফ/এসটি/