শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা পরিবারের বড়দের কাছ থেকে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এমন বিষয় জেনেছে। তাই নিজেরা সুন্দরবনের ছবি এঁকে, প্রতিবাদ জানিয়ে বড়দের মাধ্যমে ফেসবুকসহ অনলাইনে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
কোনদিন সুন্দরবন দেখেনি দশবছরের শাহীন। টেলিভিশনে দেখেছে আর জেনেছে এটা পৃথিবীর সম্পদ। সুন্দরবন নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে জানার পর থেকে সবুজ হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই হয়তো সে সবুজ গাছের ছবি আঁকা শুরু করেছে। এছাড়া, মেহেদী হাসান আকাশ তৈরি করেছেন এনিমেটেড ফিল্ম। কীভাবে উন্নয়নের নামে বন উজাড় করে একসময় মানুষকে বনসাইয়ের মধ্যে অক্সিজেন খুঁজতে বাধ্য করবে সেই চিত্র তুলে সে ধরেছে।
তরুণদের এসব প্রয়াসই আগামীর ভরসা বলে বিশ্বাস করেন যারা তাদের একজন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বিশ্বের এবং বাংলাদেশের একজনও বিশেষজ্ঞ পাওয়া যাবে না যিনি মনে করেন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না। শুধু এর সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই দাবি করেন রামপাল কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না।
এসময় তিনি ফেসবুকে বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক, লেখক, শিল্পী, ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিতসহ সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সুন্দরবন রক্ষার পক্ষে কথা বলার আহ্বান জানান।
ছবি: ফেসবুক থেকে
/ইউআই/এমও/আপ-এবি
আরও পড়ুন
‘জঙ্গিরা ভুল স্বীকার করতে চায় না’
প্রত্যেক শিক্ষকই ছাত্রছাত্রীদের জন্য আদর্শ ও পরামর্শক: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব
গণতন্ত্র সীমিত হলে উন্নয়নও সীমিত হয়ে যায়: সুলতানা কামাল