মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভার শুরুতে সংস্কৃতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, লাকি ইনাম, ইনামুল হক, চিত্রনায়ক ফারুক, রফিকুন নবী (রনবী), কবি আব্দুস সামাদ, হাসান আরিফ প্রমুখ।
অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারাদেশের মানুষের সঙ্গে আমরাও সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন। এ অবস্থা থেকে আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি। উত্তরণ না ঘটাতে পারলে সভ্য জাতি হিসেবে আমরা আবার পিছিয়ে পড়বো।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশের ৬৩ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। সেখানে আমরা আমাদের মতো করে জঙ্গিবাদবিরোধী নানা কর্মসূচি দিয়েছি। সেগুলো যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, আগে আমাদের ধারনা ছিল মাদ্রাসায় জঙ্গি তৈরি হয়। এখন দেখছি উচ্চ শিক্ষিত লোকও জঙ্গি হয়। আগে গৃহীত বিভিন্ন ব্যবস্থায় আমাদের কোথাও গলদ ছিল।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের জঙ্গিবিরোধী হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের উদ্যোগের সঙ্গে পরিবারকে যুক্ত করতে চাই। এটা করতে পারলেই আমরা প্রকৃত মানুষ পাবো।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষার সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এ জন্য আমরা শিক্ষার সঙ্গে এটা যুক্ত করতে চাই। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানেই শুধু নাচ গান করা না, অন্য কিছু।
তিনি আরও বলেন, দেশ আজ জঙ্গিবাদসহ নানা সংকটে আছে। এ সংকট নিরসনে বিভিন্ন পর্যায়ে সভা করেছি। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলেছি। নানামুখী কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জঙ্গিবাদবিরোধী বিভিন্ন উদ্যোগ এখন থেকে সংস্কৃত, শিক্ষা,প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সঙ্গে বাস্তবায়ন করবে। এখন আর উদাসীন হয়ে বসে থাকার সময় নেই বলেও জানান নুরুল ইসলাম নাহিদ।
/এসআই/ এসএনএইচ/