জেলা-উপজেলায় ইসলামি সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনামানুষকে ইসলামের সংস্কৃতি শিক্ষা দিতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় ইসলামি সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি একটি করে মসজিদও তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার আয়োজনে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষি ইনস্টিটিউটে ‘ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস,  জঙ্গিবাদ এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক ওলামা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম সম্পর্কে নানা ধরনের ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিপথে নিয়ে যাওয়া হয়। সেটা যাতে না নিতে পারে, আসলে ইসলাম ধর্ম কী, আমাদের জীবনযাত্রায় ইসলাম কী শিক্ষা দেয়, তার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র ও মসজিদ গড়ার জন্য সৌদি সরকার সহায়তা করবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও  বলেন, যে ধর্ম শান্তিতে বিশ্বাস করে, হিংসা, বিদ্বেষ, জঙ্গিতে বিশ্বাস করে না সেটাই ইসলাম ধর্ম। কিন্তু কিছু মানুষ ভুল পথে গিয়ে ইসলাম ধর্মকে হেয় করছে। আমি যখন সরকারি কাজে বিভিন্ন সময় বিদেশে যাই, কেউ যদি ইসলামি টেরোরিস্ট বলে, তো আমি সঙ্গে সঙ্গে খুব বড় মুখ নিয়ে প্রতিবাদ করি। আমি বড় মুখ করে বলেছি, কতিপয় ইসলামি টেরোরিস্টের জন্য পুরো ইসলামকে কলুষিত করতে পারেন না।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ধর্মকে যেভাবে হেয় করা হচ্ছে, আমার খুব কষ্ট লাগে, কিছু লোক কোথায় নিয়ে গেল পবিত্র ধর্মকে। কোরআনে মানুষ খুন করা নিষিদ্ধ আছে। মানুষ খুন করে অশান্তি সৃষ্টি করে তারা কি কোরআনকে অবমাননা করছে না? আন্তর্জাতিক মিডিয়া যখন জঙ্গি হামলা নিয়ে খবর প্রকাশ করে, তখন ব্যক্তিগতভাবে আমার  খারাপ লাগে। যারা এসব করছে তারা আসলে ধর্মের কিনা, কেন করছে এসব খুঁজে বের করা উচিত।

এসময় ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, শোলাকিয়ার ইমাম ফরিদউদ্দীন মাসউদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিকের হাত কেন দড়িতে বাঁধা?

/পিএইচসি/বিটি/এপিএইচ/