‘হলি আর্টিজানের হামলা সন্ত্রাসবাদের বিপণন কার্যক্রম’

 

আবু সায়িদ খান

গুলশানে ১ জুলাই আর্টিজান রেস্তোরায় যা ঘটেছে তা যতটা না সন্ত্রাসবাদ তার চেয়ে বেশি হচ্ছে সন্তাসবাদের বিপণন কার্যক্রম। সেখানে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া বাতাসের অক্সিজেনের মতো। এখন আর এটাকে বাদ দিয়ে আজকের পৃথিবীতে কোনওকিছু সম্ভব না বলে মনে করেন টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সায়িদ খান।

চলমান জঙ্গি সংকটের সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া, তারর যোগসূত্র ও ভূমিকা বিষয়ে বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলা ট্রিবিউন কার্যালয়ে আয়োজিত ‘সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে জঙ্গিবাদ’ শীর্ষক এই বৈঠকিতে দেশের প্রশাসন, নিরাপত্তা বিশ্লেষক, শিক্ষক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা চলমান সংকট ও উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়া জঙ্গিবাদে নতুন দিক এনেছে। যার কোনও সংগঠনের সম্পৃক্ততা নেই সেও নিজেকে সংযুক্ত মনে করে এই কল্যাণে। ব্যক্তি নিজে নিজেই বিশ্বাস করে, আমি অমুক ব্যক্তির অনুসারী। সে বিশ্বাসী,  এ মতাদর্শ ধারণ করে সেই অনুযায়ী কাজ করে।

সায়িদ খান বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া টেকনোলজির বিবর্তনের ফল। প্রথমে ইন্টারনেট আমাদের হাতে আসার পর গ্রুপ ইমেইল এল,  এরপর সেখান থেকে আমরা ওয়েবপেইজ পেলাম। তারপর সোশ্যাল মিডিয়া জনপ্রিয় হলো স্মার্টফোনের মধ্য দিয়ে। স্মার্ট ডিভাইস যা করেছে,  টেকনোলজি সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

তিনি বলেন, শতশত অনলাইন পত্রিকা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। যেটা আগে কল্পনাও করা যেত না। আমরা সবাই সোশ্যাল মিডিয়া জেনারেশন।

মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিচ্ছেন সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, অপরাধ বিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক জিয়া রহমান, বিজিবির ডিজি মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সায়িদ খান, তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুমন আহমেদ সাবির, ব্লগার ও লেখক আরিফ জেবতিক এবং বাংলা ট্রিবিউনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জুলফিকার রাসেল। বৈঠকি চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।

সরাসরি বৈঠকি দেখতে চোখ রাখুন চ্যানেল ৭১ এর পর্দায় এবং এ সম্পর্কিত সব সংবাদ পড়ুন www.banglatribune.com এ।

ছবি: নাসিরুল ইসলাম।

/ইউআই/এফএএন/