দক্ষিণ চীন সমুদ্র নিয়ে বিরোধে বাংলাদেশ কোনও পক্ষ নেবে না





বাংলাদেশ-চীনআঞ্চলিক শক্তি চীন এবং এর প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ চীন সমুদ্র নিয়ে বিরোধে কোনও পক্ষ নেবে না বাংলাদেশ। দক্ষিণ চীন সমুদ্র নিয়ে জড়িত দেশগুলো বাংলাদেশের যোগাযোগ করেছে সমর্থন পাওয়া জন্য। কিন্তু এ বিষয়ে বাংলাদেশ কোনও পক্ষে যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল এ বিরোধ নিয়ে একটি রায় দিয়েছেন। রায়ে চীনের এ সমুদ্রের ৮০ শতাংশ অঞ্চলের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
এ সমুদ্র নিয়ে চীনের সঙ্গে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, ব্রুনাই ও মালয়েশিয়া বিরোধ রয়েছে। এছাড়া সমুদ্রে অবাধ চলাচলের জন্য এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান হচ্ছে, ২০০২ সালে এ বিষয়ে জড়িত সব পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে সম্মান করা। এর সঙ্গে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কে বিবেচনা করে বাংলাদেশ মনে করে এর সঙ্গে জড়িত সব পক্ষ স্বাধীনভাবে সমুদ্র ও আকাশে চলাফেরা বজায় থাকার বিষয়টি সম্মান জানাবে।
কর্মকর্তাটি বলেন, বাণিজ্যের কারণে এ সমুদ্রপথটি অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এ বিরোধে বাংলাদেশ কোনও পক্ষ নিলে তার বৈদেশিক নীতিতে সমস্যা হবে। দক্ষিণ চীন সমুদ্র বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত অবস্থান হচ্ছে- ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা, সমুদ্র নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে সমুদ্র ও আকাশে চলাফেরা বজায় থাকার ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করে। যেকোনও ধরনের আন্তর্জাতিক বিরোধ সংলাপ, আলোচনা ও স্বীকৃত আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার বিষয়টি বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। এ স্বীকৃত আইনের মধ্যে ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন আছে।’
/এসএসজেড/এবি/এমএনএইচ/